আপনি কি কল্পনা করতে পারেন, প্রতিদিনের কাজের গণ্ডি ছুঁই ছুঁই করে এআই কতটা সাহায্য করতে পারে? আমি নিজে একসময় ছিলাম যান্ত্রিক কাজের বোঝায় দ্রুত ক্লান্ত, কিন্তু এখন আমার সাত অদ্ভুত এআই বন্ধু আছে যারা সপ্তাহে অন্তত ১০ ঘণ্টা আমার সময় বাঁচায়। আজ আমি তাদের সব গল্প শুনাব।
গুগল জেমিনি ডিপ রিসার্চ: দীর্ঘ গবেষণায় নতুন বন্ধু
গুগল জেমিনি আপগ্রেডের পর থেকে আমার গবেষণার অভিজ্ঞতা পুরোপুরি বদলে গেছে। ডিপ রিসার্চ ফিচার এখন আমার গবেষণার প্রধান হাতিয়ার। আমি যখনই কোনো নতুন বিষয় নিয়ে গভীর গবেষণা করতে চাই, তখন এই ফিচার দিয়ে একবারেই শত শত ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করি। শুধু তাই নয়, জেমিনি ৩ প্রো মডেল এখন ভিজ্যুয়াল রিজনিং ও মাল্টি-স্টেপ টাস্কে অনেক উন্নত, ফলে গবেষণার মানও বেড়েছে।
গভীর গবেষণা পরিকল্পনা: সময় বাঁচিয়ে মানসম্মত রিপোর্ট
ডিপ রিসার্চ ফিচার ব্যবহার করে আমি মাত্র ১০-২০ মিনিটে বিশদ বিশ্লেষণসহ ২৯ পৃষ্ঠার রিপোর্ট পেয়ে যাই। এই রিপোর্টে প্রতিটি তথ্যের উৎস স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে, যা গবেষণাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে। গুগল জেমিনির ওয়েব সার্চ ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী যে, আমি ব্যবসায়িক ধারণা, প্রেজেন্টেশন, কিংবা নতুন কোনো মার্কেট ট্রেন্ড নিয়ে কাজ করার সময় সহজেই গভীর গবেষণা করতে পারি।
- শত শত ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ
- ১০-২০ মিনিটে বিশদ রিপোর্ট
- প্রতিটি তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস
গুগল ড্রাইভ ইন্টিগ্রেশন ও ফাইল আপলোড
২০২৫ সালের আপডেটে গুগল ড্রাইভ ইন্টিগ্রেশন আরও সহজ হয়েছে। এখন PDF ও ইমেজ ফাইলও আপলোড করা যায়, ফলে নিজের ফাইলের সাথে ওয়েবের তথ্য মিলিয়ে আরও কার্যকর গবেষণা করা সম্ভব। আমি সহজেই রিপোর্টটি গুগল ডক্সে এক্সপোর্ট করি এবং নোটবুক এলএম-এ যুক্ত করি, যেখানে একসাথে ৩০০+ উৎস সংযোজনের সুযোগ আছে। এতে আমার গবেষণার কেন্দ্রীয় হাব তৈরি হয়, যেখানে প্রয়োজনমতো নতুন নোট বা উৎস যোগ করতে পারি।
গবেষণার গতি ও মানের নতুন মাত্রা
গুগল জেমিনি ডিপ রিসার্চ আমার গবেষণার মান ও গতি দুইটিকেই একসাথে বাড়িয়ে দিয়েছে।
এই ফিচার ব্যবহার করে আমি শুধু সময়ই বাঁচাই না, বরং গবেষণার গভীরতাও নিশ্চিত করি। ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত, প্রেজেন্টেশন, বা নতুন কোনো আইডিয়া নিয়ে কাজ করার সময় গুগল জেমিনি ডিপ রিসার্চ এখন আমার নির্ভরযোগ্য বন্ধু।
কাস্টম GPT: আমার দৈনিক অপরিহার্য সহকারী
২০২৩ সাল থেকে কাস্টম GPT আমার প্রতিদিনের কাজের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। এআই মডেল আপডেটের সাথে সাথে, আমি বুঝেছি নির্দিষ্ট কাজের জন্য অপ্টিমাইজ করা কাস্টম GPT কতটা কার্যকর। আমার মূল কাজের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে YouTube ট্রান্সক্রিপশন থেকে ভিডিওর জন্য ডেসক্রিপশন জেনারেশন। এই নির্দিষ্ট কাজের জন্য আমি একটি কাস্টম GPT তৈরি করেছি, যা প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় বাঁচায়—এটাই আমার জন্য একটি সত্যিকারের দৈনিক টাইমসেভার।
নির্দিষ্ট কাজের জন্য অপ্টিমাইজড কাস্টম GPT
আমার ব্যবহৃত কাস্টম GPT-টি একেবারে নির্দিষ্টভাবে ডিজাইন করা, যাতে ইউটিউব ভিডিওর ট্রান্সক্রিপশন থেকে দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে ডেসক্রিপশন তৈরি হয়। এখানে কোনো পেছনের প্রম্পট লেখার ঝামেলা নেই। শুধু ট্রান্সক্রিপশন কপি করে কাস্টম GPT-তে পেস্ট করলেই, এক ক্লিকে প্রয়োজনীয় ডেসক্রিপশন তৈরি হয়ে যায়। এই সহজ প্রক্রিয়া প্রতিদিনের কাজকে অনেক দ্রুত এবং ঝামেলাহীন করেছে।
দলগত কাজে মান বজায় রাখা
কাস্টম GPT-এর আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে, এটি দলের মধ্যে সহজেই ভাগ করে নেওয়া যায়। আমি আমার টিমের জন্য একটি শেয়ার্ড কাস্টম GPT সেটআপ করেছি। ফলে, সবাই একই টুল ব্যবহার করে একই মানের আউটপুট পাচ্ছে। এতে কাজের গুণগত মান বজায় থাকে এবং সময়ও বাঁচে। সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ছোট ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই এই সুবিধা কাজে লাগানো যায়।
- কোনো প্রম্পট ছাড়াই শুধু তথ্য পেস্ট করলেই ফলাফল পাওয়া যায়
- দলের সবাই একই কাস্টম GPT ব্যবহার করতে পারে
- প্রয়োজনে কাস্টমাইজেশন করা যায়, যেমন নতুন নির্দেশনা যোগ করা
যখন কোনোমতো টুল কর্পোরেট ব্যবহার করার জায়গায় হারায়, তখন কাস্টম GPT আমার কাজের অনন্য সঙ্গী।
কাস্টমাইজেশন ও শেয়ারিং সুবিধা
যদি কখনো কাস্টম GPT আমার প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল না দেয়, আমি সহজেই Edit GPT অপশনে গিয়ে নতুন নির্দেশনা যোগ করি। এক লাইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন লিখলেই, এআই মডেল আপডেট হয়ে যায় এবং পরবর্তী ফলাফল আরও নির্ভুল হয়। এই কাস্টমাইজেশন ও শেয়ারিং সুবিধা কাস্টম GPT-কে আমার প্রতিদিনের অপরিহার্য সহকারী করে তুলেছে।
আপনার প্রেজেন্টেশনকে প্রাণবন্ত করুন: প্রেজি AI
প্রেজেন্টেশন তৈরি করা মানেই সময়সাপেক্ষ ও প্রায়ই একঘেয়ে কাজ—এটা আমরা সবাই জানি। আমি নিজেও নিয়মিত প্রেজেন্টেশন করি, বিশেষ করে AI নিয়ে পড়ানো শুরু করার পর থেকে। আগের মতো ক্লাসিক স্লাইডে আটকে না থেকে, আমি সবসময় খুঁজেছি আরও আকর্ষণীয় ও সহজ কোনো AI প্রেজেন্টেশন টুল। এখানেই প্রেজি AI আমার জন্য গেমচেঞ্জার হয়েছে।
একটি টেক্সট প্রম্পটেই ক্যানভাস ভিত্তিক প্রেজেন্টেশন
প্রেজি AI-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, মাত্র একটি টেক্সট প্রম্পট দিয়েই আপনি পুরো একটি ক্যানভাস ভিত্তিক, ভিজ্যুয়াল রিজনিং সমৃদ্ধ প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে পারবেন। “প্রেজি AI-এর মতো টুল আমার প্রেজেন্টেশনকে অন্য লেভেলে নিয়ে গেছে।” শুধু টাইটেল ও বিষয় লিখে, কয়েক সেকেন্ডেই AI আপনার জন্য পুরো প্রেজেন্টেশন সাজিয়ে দেবে। চাইলে PDF ফাইলও আপলোড করা যায়, AI সেখান থেকেও কনটেন্ট নিয়ে নেবে।
ওপেন ক্যানভাস ফরম্যাট: নতুন অভিজ্ঞতা
প্রেজি AI-এর ওপেন ক্যানভাস ফরম্যাট একেবারেই আলাদা। এখানে ক্লাসিক স্লাইড-বাই-স্লাইড নয়, বরং পুরো ক্যানভাসে ফ্রেমগুলোকে ইন্টারেক্টিভভাবে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখানো যায়। ফলে গল্প বলার মতো করে তথ্য উপস্থাপন করা যায়, যা দর্শকদের জন্য অনেক বেশি আকর্ষণীয় ও মনে রাখার মতো।
সহজ ক্যানভাস এডিটিং ও ভিজ্যুয়াল কাস্টমাইজেশন
- প্রেজি AI-তে ফ্রেম পরিবর্তন, টেক্সট ফরম্যাটিং, ছবি এডিটিং—সবকিছুই সহজে করা যায়।
- ছবি রিপ্লেস, ক্রপ, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভসহ নানা ভিজ্যুয়াল এডিটিং অপশন রয়েছে।
- প্রয়োজনে AI’র কাছ থেকে সাজেশনও নেয়া যায়।
টাইমসেভার ও টিমওয়ার্কের জন্য আদর্শ
প্রেজি AI ব্যবহার করে আমি আমার মার্কেটিং প্রেজেন্টেশনে নতুনত্ব এনেছি। কয়েক সেকেন্ডে তৈরি হওয়া প্রেজেন্টেশন সহজেই টিমের অন্যদের সাথে শেয়ার করা যায়—চাইলে লিংক বা PDF ডাউনলোডও করা যায়। ১৫ বছর ধরে ১৬ কোটি ইউজার প্রেজি ব্যবহার করছেন, এখন AI’র সমন্বয়ে এটি আরও গতিশীল ও সময় বাঁচানোর টুল হয়ে উঠেছে।
প্রেজি AI-এর মতো টুল আমার প্রেজেন্টেশনকে অন্য লেভেলে নিয়ে গেছে।
ভিজ্যুয়াল ডেটা বিশ্লেষণ ও সহজ যোগাযোগ: Claude
আমার সাত অদ্ভুত এআই বন্ধুর তালিকায় Claude AI অন্যতম কারণ—এটি ডেটা বিশ্লেষণ ও ভিজ্যুয়াল রিজনিং এর জন্য সত্যিই অসাধারণ। আমি প্রায় প্রতি সপ্তাহেই গুগল অ্যানালিটিক্স বা অন্যান্য ড্যাশবোর্ডের স্ক্রিনশট নিয়ে Claude-এ আপলোড করি। এরপর খুব সহজেই ক্লডের উন্নত মডেল আমার জন্য ভিজ্যুয়াল ড্যাশবোর্ড তৈরি করে দেয়।
ডেটা ড্যাশবোর্ড বিশ্লেষণ: স্ক্রিনশট থেকে শুরু
ধরা যাক, আমার কাছে একটি গুগল অ্যানালিটিক্স ড্যাশবোর্ড আছে। সাধারণত এগুলো দলের সাথে শেয়ার করা বা উপস্থাপন করা বেশ জটিল। আমি স্ক্রিনশট নিয়ে ক্লডে আপলোড করি। ক্লডের নতুন মডেলগুলো উন্নত ভিজ্যুয়াল রিজনিং ক্ষমতা দেখায়—ডেটা চিহ্নিত করে, বিশ্লেষণ করে এবং সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে।
কাস্টম ড্যাশবোর্ড ডিজাইন: একাধিক প্রম্প্টে সহজ পরিবর্তন
ক্লডের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে কাস্টম ড্যাশবোর্ড তৈরি করা খুবই সহজ। আমি প্রথমে শুধু ডেটা আপলোড করি, তারপর বিভিন্ন প্রম্প্ট দিই—যেমন, “ড্যাশবোর্ডটি লাইট মোডে দেখাও”, “টেবিলটা উপরে রাখো”, “বাউন্স রেট বাদ দাও”, “ডেট এখানে দেখাও” ইত্যাদি। সাধারণত ৫-৬টি প্রম্প্টের পরেই আমার কাঙ্ক্ষিত ড্যাশবোর্ড তৈরি হয়ে যায়।
- স্ক্রিনশট আপলোড করে দ্রুত ভিজ্যুয়াল ড্যাশবোর্ড তৈরি
- একাধিক প্রম্প্টে ডিজাইন ও তথ্য কাস্টমাইজেশন
- লাইভ লিঙ্ক শেয়ারিং সুবিধা—দলের সবাই সহজেই দেখতে পারে
সহজ ও দ্রুত টিম কমিউনিকেশন
ক্লডের লাইভ শেয়ারিং ফিচার আমার টিমের সাথে যোগাযোগকে অনেক সহজ করেছে। ড্যাশবোর্ড তৈরি হয়ে গেলে একটি লাইভ লিঙ্ক শেয়ার করি, সবাই একই সময়ে দেখতে পারে ও আলোচনা করতে পারে। এতে সময় বাঁচে এবং তথ্য উপস্থাপন আরও প্রাঞ্জল হয়।
ক্লডে ডেটা বিশ্লেষণ সরল করে দেয়, যা আমার কমিউনিকেশনকে গতিশীল করে তুলে।
ক্লড AI-এর এই টাইমসেভার ফিচারগুলো আমার ডেটা বিশ্লেষণ ও টিম কমিউনিকেশনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন বিশ্লেষণাত্মক ডেটা সহজে বোঝার মতো ভিজ্যুয়াল ফরম্যাটে রূপান্তর করা যায়, যা দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক।
তথ্য ও প্রশিক্ষণে সময় বাঁচাতে AI ভিডিও টুল: Guide
আমার দৈনন্দিন কাজের বড় একটি অংশ হচ্ছে টিমের জন্য AI ট্রেনিং ভিডিও তৈরি করা। আগে এই কাজটা ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ—প্রতিটি স্ক্রিনশট আলাদা করে নিতে হতো, Canva বা অন্য কোনো গ্রাফিক্স টুলে গিয়ে অ্যারো, কল-আউট বক্স, এবং টেক্সট যোগ করতে হতো। তারপর আবার সেগুলো সাজিয়ে ধাপে ধাপে নির্দেশনা বানাতে হতো। কিন্তু Guide AI আসার পর থেকে এই পুরো প্রক্রিয়াটা একেবারেই বদলে গেছে।
Guide দিয়ে আমি সহজেই স্ক্রিন ক্যাপচার করি, ঠিক যেমনটা নিজের জন্য করতাম। শুধু স্ক্রিন রেকর্ডিং শুরু করে, প্রয়োজনীয় ধাপগুলো ক্লিক করি, আর শেষে স্টপ বাটনে ক্লিক করি। Guide তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো ভিডিও অটোমেশন করে ফেলে—প্রতিটি ধাপে ধাপে নির্দেশনা, অ্যারো, কল-আউট বক্স, এমনকি চাইলে এআই ভয়েসওভারও যোগ করে দেয়। চাইলে প্রতিটি ধাপ আলাদাভাবে সম্পাদনা বা কাস্টমাইজও করা যায়, ফলে টিমের জন্য কিংবা ক্লায়েন্ট অনবোর্ডিংয়ের জন্য নিখুঁত ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হয়।
একবার, মাত্র ১:১৭ মিনিটের একটি ভিডিও বানিয়েছিলাম Guide দিয়ে, যেখানে দেখিয়েছিলাম কীভাবে আমাদের কোর্স আপলোড করতে হয়। আগে এই কাজ করতে গেলে প্রতিটি পেজের স্ক্রিনশট নিতে হতো, তারপর গ্রাফিক্স যোগ করতে হতো, এবং সবশেষে টেক্সট বসাতে হতো। এখন শুধু একবার walkthrough করলেই Guide নিজে থেকেই ধাপে ধাপে তালিকা বানিয়ে দেয়, প্রতিটি ধাপে অ্যারো ও বক্স বসিয়ে দেয়, এবং চাইলে নতুন ধাপও যোগ করা যায়।
Guide-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, ম্যানুয়াল স্ক্রিনশট ও গ্রাফিক্স তৈরির ঝামেলা একেবারে শেষ। আমার মতে, “
Guide আমার কমপ্লেক্স স্ক্রিনশট তৈরির সময় ব্যাপক সাশ্রয় করেছে ও সাবলীলতা এনেছে।” এই টুলটি শুধু সময়ই বাঁচায় না, বরং পুরো টিম ট্রেনিং বা প্রোডাক্ট অনবোর্ডিং প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি সহজ, দ্রুত এবং প্রফেশনাল করে তোলে।
সব মিলিয়ে, Guide AI এখন আমার স্ক্রিন ক্যাপচার টুল হিসেবে টাইমসেভার এবং ভিডিও অটোমেশন-এর জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। আগের তুলনায় এখন অনেক কম সময়ে, আরও নিখুঁত ও কার্যকরী AI ট্রেনিং ভিডিও তৈরি করতে পারছি, যা টিমের দক্ষতা বাড়াতে এবং কাজের গতি বাড়াতে দারুণভাবে সাহায্য করছে।

